সূচক কী ? সংজ্ঞা, সূত্রাবলী এবং সূচক এর অংক এ টু জেড

সূচক হল একটি গণিতশাস্ত্রীয় পরিসংখ্যান পদক্ষেপ, যা একটি সংখ্যার উন্নয়ন বা ঘাত প্রকাশ করে। সূচকের সাহায্যে একটি বড় সংখ্যাকে ছোট বা সহজে প্রকাশ করা যায় । এই সূচক তো কত ধরনেরই না হয়। এই ধরুন শেয়ার বাজারে সূচকের কথা শুনে থাকবে । তবে সবচেয়ে বেশি শুনে থাকি আমরা বীজগণিতের সূচক নির্ণয় বা সূচকের মান নির্ণয়ের অংকগুলো নিয়ে । অনেকেই হয়তো সূচক অধ্যায় পড়ে এসেছেন ঠিকই কিন্তু আদৌ জানেন না সূচক জিনিসটা আসলে কি ? আজকে আমরা সূচক অধ্যায়ের একটা পোস্টমর্টেম করবো । যা থেকে সূচক নিয়ে আর কোন কনফিউশন বা ভয় থাকবে না । বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করতে করতে আজ আমরা সূচকের আদ্যোপান্ত জানার চেষ্টা করব । যা দিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি হয়ে যাবে চূড়ান্তভাবে। চলুন তাহলে শুরু করা যাক আজকের টিউটরিয়ালটি।

প্রাথমিক আলোচনা

সূচক : সূচক শব্দের অর্থ হলো শক্তি। n সংখ্যক a- এর ক্রমিক গুণফল
= a n [ এখানে, a কে ভিত্তি বলা হয়। ]
n কে a এর (ভিত্তির) সূচক বলা হয় বা শক্তি বলা হয় ।
a n কে a এর n তম ঘাত বা শক্তি বা ‘power' বলা হয়।

সূচক কাকে বলে?

সূচক হলো শক্তি বা ঘাতের একটি মান । একে ইংরেজি ভাষায় index বলা হয় । একে পাওয়ার ও বলা হয়ে থাকে । সহজ ভাষায় বলতে গেলে কোন একটি সংখ্যার উপরে ডানদিকে একটি ছোট সংখ্যা থাকে এটি হল ঐ মূল সংখ্যার সূচক । আবার বলা যায়, যখন কোনো একটি সংখ্যা অন্য একটি সংখ্যার সাথে পরিবর্তনশীল হিসেবে উত্থিত হয়, তখন তাকে ঐ সংখ্যার সূচক বলে। আর মূল সংখ্যাটিকে বলা হয় সূচকীয় রাশি । উদাহরণস্বরুপ- a n এখানে, a কে ভিত্তি বা সূচকীয় রাশি বলা হয়। আর n কে বলা হয় সূচক বা শক্তি বা ঘাত অথবা পাওয়ার । এটি সংখ্যার সাহায্যে দেখালেও এমনি হবে যেমন- 2 3 এখানে 2 এর সূচক হল 3 অর্থাৎ 2 এর মান 3 ঘাত বিশিষ্ট বা 3 বার ব্যবহার করতে হবে । আর 2 হল ভিত্তি বা সূচকীয় রাশি ।

প্রয়োজনীয় সূত্রাবলি

১. a n = a×a×a×...........[ n সংখ্যক a ]
২. ( a m ) n = a mn [ কোন সংখ্যার উপর দুইবার বা তার থেকে বেশি পাওয়ার থাকলে তা গুণ হয় ]
৩. a m . a n = a m+n
[ Note: ভিত্তি একই হলে এবং গুণ থাকলে পাওয়ার গুলো যোগ করতে হয় আবার ভাগ থাকলে পাওয়ার গুলো বিয়োগ করতে হয়। ]
৪. a m ÷ a n = a m a n = a m n
৫. a 0 = 1
[ যে কোন সংখ্যার উপর পাওয়ার 0 হলে তার মান 1 হয় । যেখানে a ≠ 0 ]
৬. a = a 1 2
৭. a n = a 1 n
৮. a 3 = a 1 3
৯. a n = 1 a n
[ Note: কোন পাওয়ার মাইনাস থাকলে তা ভগ্নাংশ আকারে লিখতে হয় এবং মাইনাস তুলে লব 1 এর নিচে পুরো সংখ্যাটি পাওয়ার সহ লিখতে হয় ]
১০. ( a b ) m = a m . b m
১১. ( a b ) m = a m b m
১২. ( m n ) - p = ( n m ) p
[ কোন ভগ্নাংশের উপরের পাওয়ার টি মাইনাস হলে ঐ ভগ্নাংশটি উল্টে যায় অর্থাৎ হরের জায়গায় লব এবং লবের জায়গায় হর বসে । ]
১৩. a x = a y হলে, x = y [ অর্থাৎ দু পাশের ভিত্তি মিলে গেলে দুটো ভিত্তিই তুলে দিতে হয় ]
১৪. a x = b x হলে, a = b [ অর্থাৎ দু পাশের power মিলে গেলে দুটো পাওয়ারই বাদ দিতে হয় ]

সাধারণ সূচকের প্রশ্ন

প্রশ্ন নম্বর- ১. a 0 = কত? [ বিএসটিআই ল্যাব সহকারী পরীক্ষা-১০ / ৩১ তম বিসিএস, মানসিক দক্ষতা ]

নবীনতর পূর্বতন