বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি



বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি


বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশের একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান। এটি ১৮৬০ সালের সোসাইটিজ রেজিম্ট্রেশন অ্যাক্টের অধীনে নিবন্ধিত হয়। ভারত বিভাগের পর ৩ জানুয়ারি,১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে এশিয়াটিক সোসাইটি অফ পাকিস্তান নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে তার নাম পরিবর্তিত হয়ে হয় এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ। এটি এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষে প্রতিষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির মূল উদ্দেশ্য অতীতকাল হতে বর্তমান পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাস,ঐতিহ্য,সমাজ,দর্শন,অর্থনীতি প্রভৃতি বিষয়ের গবেষণামূলক জ্ঞান উপস্থাপন করা।



এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণার জন্য ১৭৮৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তৎকালীন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি স্যার উইলিয়াম জোনস দি এশিয়াটিক সোসাইটি নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৭৮৪ সালের ১৫ জানুয়ারি সমমনা ৩০ জন ইউরোপীয় ব্যক্তিত্ব কলকাতায় এক বৈঠকে মিলিত হন এবং দি এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং উইলিয়াম জোনস এর প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন।



বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির উদ্যোগে ২০০৩ সালে ১৪ খন্ডে বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয়। যা বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞান কোষ বলে অভিহিত করা হয় ।বাংলাপিডিয়া’র প্রধান সম্পাদক ছিলেন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন যথাক্রমে আব্দুল হামিদ ( ১৯৫২-৫৩ ) ও ড. আহমদ হাসান দানী ( ১৯৫২-৫৩ ) এবং বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এবং অধ্যাপক এ.কে. এম. গোলাম রব্বানী।


এই পোস্টগুলি আপনার ভাল লাগতে পারে:

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন